নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধে দেশে প্রত্যশিত সংস্কার অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার্টি (বিআরপি)র নেতারা। তারা আরও বলেন, গণঅভ্যূত্থানের পরও জনগণ প্রত্যাশিত সংস্কারের সুফল এখনো পায়নি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অনুষ্ঠিত এক কর্মী সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের চেয়ারম্যান সোহেল রানা বলেন, “সংস্কার প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে, জনগণ শিগগিরই এর ইতিবাচক প্রভাব দেখতে পাবে।”
মহাসচিব তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “স্বৈরাচার পতনের লড়াইয়ে শহীদদের আত্মত্যাগই দেশের গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের চালিকাশক্তি। শদীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেয়া যাবেনা। তিনি আরও বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করা জরুরি। নইলে রাজনীতির ভবিষ্যত অন্ধকার। ”
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূরুল হক বলেন, “সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে না। তাদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যদি এই সরকার প্রত্যাশিত সংস্কার করে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে। নইলে শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করা হবে।”
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মো: মেহেদী হাসান, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদির কাজল, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সোহাগ মোঃ সজিব খান এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মাহবুবর রহমান শিপন ও সাইফুজ্জামান টুলুল।
তৃণমূলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সম্মেলনটি এক উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর বিআরপি'র সদস্য সচিব মোঃ হাসিম হোসেন, সঞ্চালনা করেন খুলনা জেলা আহ্বায়ক সৈয়দ ওয়াসিম রেজা।
মাজহারুল ইসলাম শিপন