মো. শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধিমালায় শাপলা প্রতীক অন্তর্ভুক্ত না থাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ওই প্রতীক বরাদ্দের সুযোগ নেই বলে পুনরায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি জানিয়েছেন, যদি এনসিপি শাপলা ছাড়া অন্য প্রতীক গ্রহণে রাজি না হয়, তাহলে ইসি নিজস্ব বিবেচনায় দলটিকে একটি প্রতীক বরাদ্দ করে দেবে। তিনি আরও বলেন, ১৯ অক্টোবরের মধ্যে এনসিপিকে প্রতীক বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে, অন্যথায় নির্বাচন কমিশন নিজ উদ্যোগে প্রতীক নির্ধারণ করবে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত সমসাময়িক বিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন,“শাপলা প্রতীক আমাদের বরাদ্দযোগ্য প্রতীকের তালিকায় নেই। তাই আইনি বিধান অনুযায়ী এটি কোনো দলকে দেওয়া সম্ভব নয়। এনসিপি যদি বিকল্প প্রতীক না নেয়, তাহলে কমিশন তার নিজস্ব বিধিমালা অনুযায়ী প্রতীক নির্ধারণ করবে।”
প্রসঙ্গত, শাপলা প্রতীক পেতে অনড় অবস্থানে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ নিয়ে দলটি এরই মধ্যে ইসির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে ও লিখিতভাবে আবেদন করেছে। এনসিপির শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সময়ে ঘোষণা দিয়েছেন যে, প্রয়োজনে তারা ‘শাপলা প্রতীক আদায়ে রাজপথে আন্দোলনেও নামবেন’ এবং প্রতীক না পেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন।
অন্যদিকে, ইসি একাধিকবার বলেছে যে, শাপলা তাদের অনুমোদিত প্রতীকের তালিকায় নেই, তাই তা কোনো রাজনৈতিক দলকে দেওয়া সম্ভব নয়। এবার ইসি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দলটিকে একরকম ‘শেষ বার্তা’ দেওয়া হলো— নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না নিলে কমিশন নিজেই প্রতীক নির্ধারণ করবে।
এদিকে, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব আরও বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোট হবে কি না, সে বিষয়টি এখনও কমিশনে উপস্থাপনই হয়নি। এই বিষয়ে কমিশনের ঐকমত্যমূলক সুপারিশ এলে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।”
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ২০ অক্টোবর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন। ওই বৈঠকে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা, সমন্বয় ও দায়িত্ব বণ্টন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানানো হয়।
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
মোঃ শাহজাহান বাশার
মোঃ শাহজাহান বাশার