ঢাকা | বঙ্গাব্দ

মানবিকতা ও কর্মদক্ষতার প্রতীক – ড. মোঃ নাজমুল করিম খান

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 28, 2025 ইং
মানবিকতা ও কর্মদক্ষতার প্রতীক – ড. মোঃ নাজমুল করিম খান ছবির ক্যাপশন: মানবিকতা ও কর্মদক্ষতার প্রতীক – ড. মোঃ নাজমুল করিম খান
ad728
মোঃ শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ 

গাজীপুর মহানগর পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার ড. মোঃ নাজমুল করিম খান নিঃসন্দেহে একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক পুলিশ অফিসার হিসেবে সারাদেশে পরিচিত। 

তিনি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তা নন, বরং একজন নীতিবান ও আদর্শবান মানুষ, যিনি নিজের সততা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব ও আধুনিক রূপে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।

ড. মোঃ নাজমুল করিম খান গত ১২ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ তারিখে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭ম পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে ডিআইজি পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।

জন্ম ও শিক্ষা জীবন : ড. খান ১৯৬৯ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি ছিলেন মেধাবী ও পরিশ্রমী। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে কৃতিত্বের সাথে অনার্স সম্পন্ন করেন। 

পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য জাপানে পাড়ি জমান এবং সেখানে চিবা ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনের সাফল্য :ড. খান ১৫তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। 

দীর্ঘ পুলিশি জীবনে তিনি বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি পুলিশ স্টাফ কলেজ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, সিআইডি হেডকোয়ার্টার্স, ফরেনসিক ল্যাব, কেমিক্যাল ল্যাবসহ সিআইডি চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর, আরআরএফ খুলনা, আরএমপি, সিএমপি, ডিএমপি, গাজীপুর জেলা, ঢাকা জেলা ও বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, সারদা-তে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি আইজিপি ব্যাজেও ভূষিত হন।

আন্তর্জাতিক অবদান: জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরেও ড. নাজমুল করিম খান রেখেছেন প্রশংসনীয় ভূমিকা। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে লাইবেরিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এছাড়া সরকারি কাজে চীন ও মালয়েশিয়ায় ট্রেনিং গ্রহণ করেন এবং জাপান সফরের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে ড. নাজমুল করিম খান একজন আদর্শ পরিবারপ্রেমী মানুষ। তিনি বিবাহিত ও তিন কন্যা সন্তানের জনক। তার স্ত্রী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রথিতযশা আইনজীবী।

মানুষের শ্রদ্ধাভাজন একজন অফিসার :তার পদবী অনুযায়ী তিনি সর্বক্ষেত্রে ভিআইপি মর্যাদা পাওয়ার অধিকার রাখেন। কিন্তু তিনি পদমর্যাদার গর্বে গর্বিত নন, বরং দায়িত্বের জায়গা থেকে সর্বদা জনগণের পাশে দাঁড়াতে সচেষ্ট। গাজীপুর মহানগরে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি দক্ষতার সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

মনে রাখতে হবে, যারা কাজ করেন, তাদের বিরুদ্ধেই সমালোচনা হয়। নিন্দুকেরা সবসময় ভালো মানুষকেই আঘাত করতে চায়। তাই কমিশনার ড. নাজমুল করিম খানের বিরুদ্ধে যদি কোথাও সমালোচনা শোনা যায়, সেটি আসলে তার কর্মদক্ষতারই প্রমাণ। তিনি কাজ করছেন, পরিবর্তন আনছেন, এই কারণেই নিন্দুকদের কটুক্তি।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের পুলিশ কমিশনার ড. মোঃ নাজমুল করিম খান নিঃসন্দেহে একজন অনুকরণীয় পুলিশ কর্মকর্তা। তার কর্মজীবন, সততা, মানবিকতা এবং দেশ-বিদেশে অবদান বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর জন্য গৌরবের বিষয়। 

আমাদের উচিত তার এই অগ্রযাত্রায় উৎসাহ দেওয়া এবং গাজীপুর মহানগরকে একটি নিরাপদ ও আধুনিক শহরে রূপান্তরে তার পাশে থাকা।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ শাহজাহান বাশার

কমেন্ট বক্স
নিরাপদ সড়কের প্রয়োজনীয়তা -লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

নিরাপদ সড়কের প্রয়োজনীয়তা -লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল