প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 1, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 5, 2025 ইং
২দিনেও আটক হয়নি যশোরে সিআইডি'র উপর হামলাকারীরা।

২দিনেও আটক হয়নি যশোরে সিআইডি'র উপর হামলাকারীরা।
যশোর প্রতিনিধিঃ
যশোরে সিআইডি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরপর দুদিনেও আটক করা যায়নি পুলিশের উপর হামলাকারী মাদক কারবারি ও তাদের দোসরদের। তবে কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে প্রশাসনিক সদস্যরা।
প্রশ্ন উঠেছে কে এই তুষার আর তার এত প্রভাব কিভাবে হয়েছে। সমাজ সেবীরা মাদক কারবারিদের বেপরোয়া কার্যকলাপে যারপরনাই চিন্তিত। শহরের ষাড় অফিস এলাকায় পুলিশকে গুলি করার ঘটনাও যশোরে রয়েছে। শার্সা বেনাপোল থানাভুক্ত এলাকায় এমনি ঘটনা রয়েছে।
এসব মাদক কারবারি দীর্ঘ দিন ধরে যশোর শহরসহ সর্বত্র সন্ত্রাস চাঁদাবাজিতে লিপ্ত। নানা ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষকে।
যশোর শহরের রেলগেট, রেলস্টেশন ঝিল পুকুর, রেলগেট পশ্চিমপাড়া, রায়পাড়া, চোরমারা দীঘির পাড়, চাঁচড়া, শঙ্করপুর, খড়কি কলা বাগান পাড়া, পুলেরহাট, চাঁচড়া ইউপির কয়েকটি স্পট, মুড়লি, ঝিকরগাছার ছুটিপুর এলাকায় মাদক কারবার প্রকাশ্যে হয়ে থাকে। শার্সা জামতলা, কায়বা, নাভারণ রেলস্টেশন, উলশী, কন্যাদহ এলাকায় হররোজ মাদক দ্রব্য ইয়াবা, গাঁজা, ফেন্সিডিল হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়।
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ইং, বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার রাজারহাট বাজারের কেয়া খাবার হোটেলের সামনে তুষার (২৭) নামে এক যুবককে ইয়াবাসহ আটক করতে গেলে তার সহযোগীরা সিআইডি পুলিশের চার সদস্যের উপর হামলা চালায়। আহতদের মধ্যে দুইজন সাব-ইন্সপেক্টর, একজন এএসআই ও একজন কনস্টেবল।
সিআইডি সূত্র জানায়, এসআই হাবিব, এসআই তরিকুল ইসলাম, এএসআই মো. জাহিদ হোসেন ও কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম অভিযানে অংশ নেন। রামনগর ইউনিয়নের রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা ও ছাত্রলীগের ক্যাডার মাসুদ রানার ছেলে তুষারকে আটক করা হলে তার চিৎকারে সহযোগীরা হামলা চালায়। স্থানীয়রা ‘ভুয়া পুলিশ’ সন্দেহে দলটিকে ঘিরে ধরে। কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম গুরুতর আহত হন এবং পরে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অভিযানের সময় তুষারকে সহযোগীরা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক শাওন (২১)'কেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সিআইডি পুলিশের পক্ষ থেকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। সিআইডি পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) সিদ্দিকা বেগম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, তুষার ও তার চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। স্থানীয়রা এসব অপকর্মের কোন প্রতিবাদ করতে পারে না। সচেতন মহলের দাবি, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিকল্প নেই।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারী : ESOMOY