ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হলো রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুনকে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 17, 2025 ইং
ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হলো রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুনকে ছবির ক্যাপশন: ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হলো রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুনকে
ad728

মোঃ শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অন্যতম আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে ওঠা সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে প্রিজনভ্যানে করে তাঁকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনাল চত্বরে আনা হয়।

এই মামলার অপর দুই আসামি—ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের অনুপস্থিতিতেই আজ রায় ঘোষণা হবে।

সোমবার বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করবেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গত ১৩ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নেওয়া হয়েছে বহুস্তর নিরাপত্তাব্যবস্থা।
পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন ও বিজিবির পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনীর টহল দল। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও এলাকায় তৎপর রয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যার পর থেকেই দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সীমিত করা হয়েছে সাধারণ মানুষের চলাচল।

এই মামলায় মোট ২৮ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়।
এরপর ৯ কার্যদিনে প্রসিকিউশন–স্টেট ডিফেন্সের যুক্তি, পাল্টা যুক্তি ও যুক্তিখণ্ডন উপস্থাপন করা হয়।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন তাদের উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের আবেদন করেন।

প্রসিকিউশন তাদের যুক্তিতর্কে শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দণ্ড প্রার্থনা করে। তবে রাজসাক্ষী হওয়ায় মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে মামুনের পক্ষের আইনজীবী জায়েদ বিন আমজাদ তাঁর খালাস চেয়েছেন।

প্রসিকিউশন তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি গুরুতর অভিযোগ এনেছে—

উসকানি,মারণাস্ত্র ব্যবহার ,আবু সাঈদ হত্যা,চানখাঁরপুলে হত্যা,আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো

আনুষ্ঠানিক অভিযোগের মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা ৮,৭৪৭। এর মধ্যে—তথ্যসূত্র: ২,০১৮ পৃষ্ঠা ,জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণ: ৪,০০৫ পৃষ্ঠা ,শহীদদের তালিকার বিবরণ: ২,৭২৪ পৃষ্ঠা,মোট ৮৪ জনকে সাক্ষী তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।

গত ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা মামলার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কাছে জমা দেয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ শাহজাহান বাশার

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শৈলকুপায় পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু।

শৈলকুপায় পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু।