ঢাকা | বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে অভিনব কৌশলে হানিট্র‍্যাপ (পর্ব -০২)

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 24, 2025 ইং
হবিগঞ্জে অভিনব কৌশলে হানিট্র‍্যাপ (পর্ব -০২) ছবির ক্যাপশন: হবিগঞ্জে অভিনব কৌশলে হানিট্র‍্যাপ (পর্ব -০২)
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদ সুলতানা চৌধুরী শাবানা। হানিট্র‍্যাপ নেত্রী হিসাবে আত্নপ্রকাশ করে করে ২০২৩ সালের শেষের দিকে। এর আগে কথিত কিছু নিবন্ধনহীন অনলাইন পোর্টাল এর সাংবাদিক, মাদক কারবারি, অটোচালক, ইউটিউবারসহ ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র তৈরি করে। এতে সহযোগিতা করে শাবানা চৌধুরীর বড় ভাই কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং ছেলে নিলয়। 
জানা গেছে, পতিত আওয়ামী লীগের আমলে সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং আসাদুজ্জামান খান কামালের সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ অফিসার ভাগিনার ক্ষমতা অপব্যবহার করে থানা পুলিশ থেকে সুবিধা গ্রহন এবং থানার দালালির মাধ্যমে হানিট্র‍্যাপ পেশাকে পাকাপোক্ত করে। 
অসহায় নারীদের বিভিন্ন আইনী সহায়তার নাম করে রাতের বেলা সিএনজি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে হাজির হত শাবানা চৌধুরী। সেবার নামে বিভিন্ন অসহায় নারীদের বিপথগামি করার প্রমাণ এ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে। 
বিভিন্ন প্রোগ্রামের নামে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে পরপুরুষ নিয়ে হোটেলে রাত্রিযাপনের সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া গেছে। 
মজার ব্যাপার হলো- হানিট্র‍্যাপের শিকার কোন ভদ্রলোকই এই হানিট্র‍্যাপ নেত্রীর বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চায় না। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি এ প্রতিবেদককে জানান, এই নষ্ট ও চরিত্রহীন নারীর বিরুদ্ধে কথা বললে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মানুষকে হয়রানিসহ বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়ায়। তাই মান সম্মানের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। 
সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিনে ঘুরে স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীর সাথে আলাপকালে জানা যায় শাবানা চৌধুরীর নাম শুনেই সবাই মুচকি হাসেন। কেউ কোন মন্তব্য করতে রাজি নয়। সবাই একই কথা বলেন, মাধবপুরে এত নারী থাকতে এই শাবানার বিরুদ্ধেই অভিযোগ কেন?  নিশ্চয়ই যা রটে কিছুনা কিছু বটে। 
তবে একজন সাংবাদিক ও বিএনপি নেতার সঙ্গে কথা বললে প্রতিবেদকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, এই নারীর কারনে পুরো বিএনপির দূর্নাম হচ্ছে। 
তিনি আরো বলেন তার অপকর্মের কারনে বিএনপির অঙ্গসংগঠন জিসাস থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। 
হানিট্র‍্যাপ নেত্রী শাবানা চৌধুরী সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছে কিন্তু স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন গুলো এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? জানতে চাইলে তিনি বললেন, যে এই নারীর বিরুদ্ধে যে কথা বলবে, তার বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা ঠুকে দিবে। তাই কেউ কথা বলছে না৷ তাছাড়া কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠন তাকে বহিষ্কার করার প্রমাণ আছে। 
জানতে চাইলে মাধবপুর উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পেয়ারা বেগম বলেন, এই মহিলার এহেন আচরণে উপজেলার নারীদের সম্মানহানি হচ্ছে। তাছাড়া তার অপকর্মের দায় একান্তই তার ব্যাক্তিগত। 
 (চলবে) 


নিউজটি পোস্ট করেছেন : মিম

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভূরুঙ্গামারীতে বউ-শাশুড়ি মেলা।

ভূরুঙ্গামারীতে বউ-শাশুড়ি মেলা।